পদ্মা সেতু প্রকল্প বৃত্তান্ত

পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঠিকাদারের প্রাক-যোগ্যতা মূল্যায়নে ‘কোয়ালিটি অ্যান্ড কস্ট বেইজড সিলেকশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইন অনুসারেই। ওইখানে কারিগরি মূল্যায়নের ওপর শতকরা ৯০ ভাগ ‘ওয়েইটেজ’ এবং ভিন্ন একটি খামে জমা দেওয়া আর্থিক প্রস্তাবের মূল্যায়নের ওপর শতকরা ১০ ভাগ ওয়েইটেজের মূল্যায়ন করা হয়। যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব জমা দিয়েছিল তাদের উপস্থিতিতেই কারিগরি মূল্যায়ন প্রদত্ত নম্বর ঘোষণা করা হয় এবং আংশিক প্রস্তাব ও খামগুলো খুলে সবাইকে
জানিয়ে দেওয়া হয়

Share

২০১২ এবং ইসলাম তথা ১৪৩৩ আরো কিছু অজানা তথ্য অংশ (সংগ্রহীত)

ইসলাম যেখানে একঈশ্বর এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সত্যতাতে বিশ্বাস করতে হয় সেখানে বস্তুবাদ কিংবা ত্রিতত্ত্ববাদ (Trinity) কিংবা বহুঈশ্বরবাদ এর কোনো স্থান নেই | নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান | আমি এখানে আগে মায়ান এবং বর্তমান সম্পর্কে কিছু বলব. তা না হলে ২০১২ নিয়ে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যাবে না | পৃথিবীতে বরফ যুগের ম্যামোথ থেকে শুরু করে ডাইনোসোর এরা প্রত্যেকেই ধ্বংস হয়েছে . পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থায়ী নয় এমনকি — আমরাও না . ২০১২ নিয়ে আমরা অনেকেই কমবেশ জানি | অনেকেই জানি সুপার হিট ফীল্ম 2012 এর কথা | কিন্তু এই ফীল্মও ২০১২ এর সতর্ক বাণী স্বরূপই তৈরী করা হয়েছিল যা কিনা পরে মুভী ইন্ড্রাস্ট্রিতে ফীল্ম হিসেবেই প্রকাশ পায় | 2012 এর তৈরির পিছনে মায়ান ক্যালেন্ডার এর ভূমিকা ছিল | মায়ান ক্যালেন্ডারে ২০১২ এর পর আর ২০১৩ আসে নি, তারা আবার ১, ২, ৩ এভাবে গুনে গিয়েছে | তারা ২০১২ এ বিশাল ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে যাতে কিনা সভ্যতার ধ্বংস হবে এবং নতুন সভ্যতার উত্থান হবে | অনেকেই বলেন ২০১২ তে নাকি পৃথিবী ধ্বংস হবে. এটা একটা ভুল ধারনা | ২০১২ তে যদি কিছু হয় তাহলে বড় রকমের বিপর্যয় হতে পারে (আল্লাহ ভালো জানেন) যার ফলে পৃথিবীর ৯০% মানুষই মারা যাবে . মায়ানরা যেটা দেখেছিল তা ছিল একটি গ্রহ | তারা দেখেছিল এই বিশাল গ্রহটি তাদেরকে আচ্ছাদিত করছে. এর তুমুল গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স এর প্রভাবে সুনামি আঘাত হানার ফলে ওদের সভ্যতা ধ্বংস হল | তাই তারা এই গ্রহটির নাম দিয়েছিল নিবিরু(Nibiru) বা ধ্বংসকারী. খুব ছোট অংকের মাধ্যমে তারা গ্রহের আসা যাওয়ার গণনা করতে পারত | ওরা এতটাই উন্নত ছিল যে ওরা জানত পৃথিবীর কক্ষপথ অনেকটা গোলাকার | তারা আরো জানত পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে ৩৬৫ দিন লাগে যা আমরা কয়েক শতক আগেও জানতাম না | ওদের মধ্যে যে কেউ ভবিষ্যত গণনা করতে পারত | স্বল্প সংখ্যক যারা বেচেছিল তারাই তাদের ভবিষ্যত গণনা করে বলেছিল এই নিবিরু আবার ২০১২ তে আসবে যার ফলে ভয়াবহ দুরঅবস্থার দেখা দিবে | অনেকে ধারনা করেন এই আদিম মায়ানরাই হল কুরআন এ বর্নিত নুহ নবীর উম্মত যাদেরকে আল্লাহ মহাপ্লাবন দ্বারা ধ্বংস করেছিলেন | যাই হোক এ নিয়ে বলতে শুরু করলে সারা দিন লেগে যাবে. এখন আধুনিক সভ্যতার প্লানেট এক্স আবিষ্কার এবং নাসা আমেরিকা ইউরোপ এর ষড়যন্ত্রের কথা বলব. প্ল্যানেট এক্স (নিবিরু) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ১৯৮৩ এর গোড়ার দিকে সৌর সিস্টেম এর বাহির এর দিকে আবিষ্কার করে | ১৯৮৩ সালে নাসার ইরাস (IRAS-ইনফ্রা অ্যাস্ট্রোনমিকাল উপগ্রহ) সৌরজগত এর শেষ দিকে বৃহষ্পতি এর মত বড় কিছুর উপস্থিতির কথা বলে | যা ১৯৮৩ এর টাইমস পত্রিকায় উল্লেখ করা হয় | লিংক : http://3.bp.blogspot.com/-xXP7Jh9SWhs/TsvmP3a3CkI/AAAAAAAAACU/abJw_t6xuFM/s1600/Clues+Get+warm+in+the+search+of+planet+x+%2528real+photo+1+from+NY+times+30-01-1983%2529.gif সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জোসেফ ব্র্যাডি আবিষ্কার করেন কোনো অপরিচিত গ্রহ (প্ল্যানেট এক্স) হ্যালির ধুমকেতুর কক্ষপথের মহাকর্ষিক সমস্যার কারণ | জোতির্বিজ্ঞানিদের গাণিতিক হিসাব এটা প্রমান করে যে, এই অপরিচিত গ্রহের ভর পৃথিবীর ৫ গুণ বেশি | এ সম্পর্কে মহাকাশ বিজ্ঞানী যেচারিয়া সিচিন (Zecharia Sitchin) এর একটি বক্তব্য না বললেই নয় ১৯৭৮ সালে তিনি বলেন, “আমাদের সৌরজগতে ৯টি গ্রহ নয় যা সর্বজন কর্তৃক গৃহীত বরং ১০ টি গ্রহ |” এই বিশাল বস্তর কারণেই যে প্লুটো এর অরবিট পরিবর্তিত হয় এবং প্লুটো তার গ্রহের মর্যাদা হারায় পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা তা কোনো অজানা কারণে আংশিক প্রকাশ করেন | (বর্তমানে প্লুটোকে Kuiper belt এর অংশ বলা হয়) অনেকে একে বাদামী তারা Continue reading “২০১২ এবং ইসলাম তথা ১৪৩৩ আরো কিছু অজানা তথ্য অংশ (সংগ্রহীত)” »

Share

আবুল খায়ের দুর্যোগে দুঃসাহসী

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক নুরুল হক বললেন, ‘আবুল খায়ের, তুমি কি যেতে পারবে?’
আবুল খায়ের বললেন, ‘পারব স্যার। কিন্তু ফিরে আসতে পারব, সে আশা নাই। আমি মারা গেলে স্যার লাশটা বাড়িতে পাঠায় দিয়েন!’
ঘটনাস্থল আরিচাঘাটের কাছাকাছি। সময়টা ২০০৫ সালের মে মাস। দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে লঞ্চ এম ভি রায়পুরা। নদী তখন উত্তাল, স্রোতের বেগ প্রায় ১৭ নটিক্যাল মাইল। লঞ্চ ডুবে যাওয়ার পর চার দিন পেরিয়ে গেছে, তখনো লঞ্চের ধারেকাছে যাওয়া যাচ্ছে না। নৌবাহিনী, বিআইডব্লিউটিএ—সবার চেষ্টা বৃথা। যমুনাপারের বাতাস তখন স্বজনহারাদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে।
ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি নিয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি আবুল খায়ের। প্রচণ্ড স্রোতের বিপরীতে খায়ের প্রাণপণ সাঁতরে চলেন। একসময় তাঁর হাত-পা অসার হয়ে আসে। ইতিমধ্যে ১৩ বার থেমে থেমে বিশ্রাম নিয়েছেন, এবার আর বিশ্রামে শরীর মানে না। অক্সিজেন সিলিন্ডারের কৃপণ সরবরাহে তখন ফুসফুসটা শান্ত হচ্ছে না, চাই মুক্ত বাতাস। ঘুটঘুটে অন্ধকারে অন্ধের মতো হাত বাড়ান খায়ের, কি যেন হাতে ঠেকে। ভালোমতো পরখ করে বুঝতে পারেন, লঞ্চের রেলিং! দুঃসাহসী ডুবুরিকে কাবু করতে স্রোতও তখন উঠেপড়ে লেগেছে। যেন শরীর ছিঁড়েবিড়ে নিয়ে যাবে! রেলিং দুই পায়ে জড়িয়ে ধরে, বয়ে নিয়ে আসা নোঙরের দড়িটা লঞ্চের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধেন খায়ের। লম্বা একটা দম নিয়ে, ঢুকে পড়েন লঞ্চের ভেতর।
টর্চের আবছা আলোয় দেখতে পান, শতাধিক ফুলে-ফেঁপে ওঠা লাশ!
খায়েরের তখন সময় খুব কম। সিলিন্ডারের অক্সিজেন ফুরিয়ে আসছে, নিঃশ্বাস নিতে হচ্ছে হিসাব করে। হিসাবে গরমিল হলেই লঞ্চের ভেতর লাশের সংখ্যা বাড়বে আরও একটা! কিন্তু এত দূর এসে খালি হাতে ফিরে যাবেন? মৃত দেহগুলোর তখন গায়ে হাত দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। বহু কষ্টে একটা লাশ সঙ্গে নিয়ে লঞ্চের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলেন খায়ের। সঙ্গে সঙ্গে লাশটা প্রচণ্ড বেগে ওপরের দিকে উঠতে থাকে। খায়ের তখনো লাশটাকে শক্ত হাতে আঁকড়ে ধরে ছিলেন। এরপর তাঁর আর কিছু মনে নেই।
জ্ঞান ফিরলে খায়ের নিজেকে আবিষ্কার করেন উদ্ধারকর্মীদের জাহাজে।

ফায়ার সার্ভিসের দুর্ধর্ষ ডুবুরি আবুল খায়ের, বহুবার নিজের জীবন বিপন্ন করে অংশ নিয়েছেন উদ্ধারকাজে। জলে কিংবা স্থলে, যেকোনো জটিল উদ্ধারকাজে ডাক পড়ে তাঁর। আবুল খায়েরও ছুটে যান নিঃসংকোচে। ইতিমধ্যেই দুঃসাহসী কাজের জন্য বেশ কিছু স্বীকৃতি মিলেছে তাঁর, দেশে-বিদেশে বহু পত্রিকায় ছাপা হয়েছে তাঁর জীবনের সত্যিকারের গল্প। পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড, জাতিসংঘের কাছ থেকেও মিলেছে স্বীকৃতি। আবুল খায়ের বললেন, ‘৭০টা দেশে ২১টা ভাষায় আমার জীবনকাহিনি ছাপা হইছে। এই খবর আমি পত্রিকায় পইড়া জানছি।’
গত ২২ বছরে অসংখ্য উদ্ধারকাজে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশে-বিদেশে পরিচিতি পাওয়া ডুবুরি আবুল খায়ের এখন ফায়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টের গর্ব। অথৈ জলের অতলে ঘুরে বেড়ানোটা যাঁর কাছে ছেলেখেলা, কোথায় তাঁর সাঁতারের হাতেখড়ি—জানতে চাই। আবুল খায়েরের গল্প শুনতে শুনতে কল্পনার চোখে আমরা দেখতে পাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা, শেরেবাংলা হাইস্কুলের সঙ্গেই একটা টলটলে পানির দিঘি! Continue reading “আবুল খায়ের দুর্যোগে দুঃসাহসী” »

Share

‘টু বি অর নট বি: দ্যাট ইজ দি কোশ্চেন।’ আজ কি আমাদের সেই স্বপ্নপূরণের দিন? আজ কি এশিয়ায় অভিষিক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়ন? যে দল সমর্থন করি, সেই দলের খেলার দিন বুক কাঁপে, জিভ শুকিয়ে কাঠ, মুখে খাবার রোচে না। কারও কোনো প্রশ্ন কানে যায় না। আর আজ বাংলাদেশের খেলা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলা!
নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ধবল ধোলাই করার পর থেকেই স্বপ্ন বুনে চলেছি। কানে কানে এই মন্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি যে, তোমরা আত্মবিশ্বাসী হও, তোমরা পারবে। দেয়ার ক্যান বি মিরাকলস হোয়েন ইউ বিলিভ। অলৌকিকত্বে বিশ্বাসী হতে বলছি না, বলছি নিজের ওপরে ভরসা রাখতে। বিশ্বকাপেও বড় স্বপ্ন দেখেছিলাম। আবার বড় আঘাতও পেয়েছিলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ৫৮ রান করে মুখ চুন হয়ে গিয়েছিল। তখনো দলকে ‘দুয়ো’ দিইনি। দলে বলে ছুটে গেছি চট্টগ্রামে। বাংলাদেশ রান তাড়া করতে গিয়ে উইকেট সব হারিয়ে ফেলছিল। অনেকেই গ্যালারি ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন। কাতর কণ্ঠে বলেছিলাম, ‘ভাই হবে, শফিউলের টেস্টে ফিফটি আছে, থাকেন। হবে।’
হয়েছিল তো! বাংলাদেশ হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। সাকিব আল হাসানের চোখে সেদিন ছিল জল। তখন আমরাও কেঁদে বুকের ভার কমিয়েছিলাম।
আজ আমরা স্বপ্নপূরণের বড় কাছাকাছি এসে গেছি। কারও দয়ায় নয়, বাংলাদেশের বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলো, যাদের শরীরে এখনো অপুষ্টির চিহ্ন, তারা আমাদের স্বপ্নতোরণে এনে দিয়েছেন তাদের ব্যাট আর বলের দাপটে। নাসিরকে দেখুন, কি হ্যাংলা-পাতলা। মুশফিককে মনে হয় এত্তটুকুন একটা ছেলে। সাকিব আল হাসান ওয়েস্ট ইন্ডিজে ৯০ রান করার পরে হেলমেট খুলে ফেলেছিলেন। তার মাথায় পানি ঢালতে হয়েছিল। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে তিনি ইঙ্গিতে দেখাচ্ছিলেন ‘বুকে ব্যথা’, ডাক্তার দৌড়ে ছুটে গেছে, একটু পরে এন্টাসিডের শিশি নিয়ে ছুটলেন সহখেলোয়াড়। আহারে, আমার গরিব মায়ের গরিব সন্তানেরা। ৩২ কোটি চোখ চেয়ে আছে ওদের দিকে। আমাদের সব ভালোবাসা, সব শুভকামনা, সব দোয়া, সব প্রার্থনা ওদের জন্য। হে আল্লাহ, আমাদের এই দলটিকে আজ তুমি জিতিয়ে দাও। হে ঈশ্বর। হে ভগবান। বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার ফুল বাংলার ফল পুণ্য হোক।
আজ বাংলাদেশ জয়লাভ করলে এই ভূগোলের ক্রিকেটের পথরেখা পাল্টে যাবে। শুধু কি ক্রিকেট, আমাদের সামাজিক রাজনৈতিক জীবনেও অনেক অপ্রাপ্তির মধ্যে আজকের জয় আমাদের দিতে পারে ঘুরে দাঁড়ানোর বড় প্রেরণা। Continue reading “” »

Share

যাদের আবিষ্কারই হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ

 

খবরটোয়েন্টিফোর.কম: প্রত্যেক আবিষ্কারকই তার আবিষ্কার নিয়ে গর্ববোধ করেন। আবিষ্কারক মাত্রই তার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে পৃথিবীতে এমন বেশ কয়েকজন আবিষ্কারক রয়েছেন যারা প্রাণ হারিয়েছেন নিজের আবিষ্কারের হাতে..চলুন দেখে জেনে নেই এমন কিছু হতভাগ্যের (?) কথা

হেনরি উইনস্টেনলি

১৬৪৪ সালের ৩১ মার্চ এসেক্সে জন্ম নেয়া হেনরি উইনস্টেনলি ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ ইঞ্জিনিয়ার। যিনি প্রথম এডিস্টোন বাতিঘর নির্মাণ করেন। নিজের তৈরি এই বাতিঘর নিয়ে ভদ্রলোক খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং প্রচণ্ড ঝড়েও এই বাতিঘর ধ্বংস হবে না বলে অহঙ্কার করতেন। ১৭০৩ সালের ২৭ নভেম্বর, দিনটি ছিল মেঘলা। বড়সড় একটি ঝড় সাগর থেকে ধেয়ে আসছে দেখে হেনরি সবাইকে বললেন, তিনি তার নির্মিত বাতিঘরে সে রাত থাকবেন এবং প্রমাণ করে দেবেন, এই ঝড় তার বাতিঘরের কোনো ক্ষতি করতে সক্ষম নয়। সে রাতে হেনরি তার ৫ সহকারীকে নিয়ে বাতিঘরে থাকার সময় প্রচণ্ড ঝড়ে বাতিঘরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং সবাই মৃত্যুবরণ করে।

আলেকজান্ডার বগডেনভ

আলেকজান্ডার বগডেনভ

১৮৭৩ সালের ২২ আগস্ট পোল্যান্ডে জন্ম নেন বিখ্যাত রাশিয়ান চিকিত্সক, দার্শনিক ও কল্পবিজ্ঞান লেখক আলেকজান্ডার বগডেনভ। ১৯২৪ সালের দিকে তিনি বিশ্বাস করতে লাগলেন অল্পবয়স্ক কারও দেহ থেকে রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে রক্ত গ্রহীতা দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারেন। তিনি এ বিষয়ে পরীক্ষা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তার এই পরীক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অনেক বিখ্যাত লোকও অংশ নেন। এমনকি লেনিনের বোনও। এই করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তিনি একসময় যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণুবাহী এক ছাত্রের রক্ত তার শরীরে প্রবেশ করান।

এরপর জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে তিনি খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করেন। যদিও তার বেশ কয়েকজন সহকারী মন্তব্য করেছিলেন, ওই পরীক্ষায় তিনি অনেকটা সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। Continue reading “যাদের আবিষ্কারই হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ” »

Share

অবৈধ ভিওআইপি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়নি

 
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ না থানায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেনি ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণের একটি তদন্ত কমিটি। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সমন্বয়ে গঠিত ওই কমিটি অবৈধ কল টার্মিনেশন নিয়ন্ত্রণে ত্রিপক্ষীয় টাস্কফোর্স গঠনের সুপারিশ করেছে। কমিটি বলছে_ বিটিআরসি, মন্ত্রণালয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে এ টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। সামগ্রিকভাবে নজরদারি না করায় দেশে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
অবৈধ কল টার্মিনেশন বা ভিওআইপি নিয়ে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে সমকালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সরকার এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটি করে। বিটিআরসি এবং মন্ত্রণালয়ের ছয় প্রতিনিধিকে দিয়ে গঠিত কমিটি গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আড়াই মাসে কমিটি মূলত দুই রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিটিসিএল এবং টেলিটককে
নিয়েই বেশি কাজ করে।
কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, কাজ করতে গিয়ে প্রযুক্তিকেই তাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা মনে হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কমিটিতে কো-অপট করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়েও পাওয়া যায়নি। গত ৩ জানুয়ারি এ বিষয়ে কমিটি ৫ জন প্রতিনিধি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি লেখে। এ অবস্থায় বেশিদূর এগোনো যায়নি। প্রতিবেদনেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কমিটির এক সদস্য সমকালকে বলেন, তাড়াতাড়ি প্রতিবেদন দিতেও চাপ ছিল। ফলে কোনো উপসংহারেও আসা যায়নি।
সমকালের হাতে থাকা প্রতিবেদনে সব মিলে ১৩টি সুপারিশ পাওয়া গেছে। সুপারিশে টাস্কফোর্স গঠন ছাড়াও বিটিআরসি প্রদত্ত নির্দেশনাগুলো সব অপারেটরের জন্য মান্য করা বাধ্যতামূলক করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিবেদনের সীমাবদ্ধতা অংশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিটিসিএল এবং টেলিটকের কাছ থেকে যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি তারা। তাছাড়া টেলিটক এবং বিটিসিএলের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে লিখিতভাবে জানতে চাইলেও তারা তা জানায়নি। Continue reading “অবৈধ ভিওআইপি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়নি” »
Share

বিটিসিএল ও টেলিটকে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়ম ধরা পড়েছে

রাষ্ট্রিয় মালিকাধীন টেলিকম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডটেলিটক-এ আন্তর্জাতিক কল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়ম পেয়েছে সরকারী তদন্ত কমিটি। ধারণা করা হয়েছে এর ফলে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণে রাজস্ব হারিয়েছে।

তদন্ত কমিটি তাদের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যাদি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তদন্তে প্রতিবেদনে কমিটি জানিয়েছে, তারা তদন্তে যথাযথ সহযোগিতা পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

অবৈধ ভয়েস ওভার ইন্টারনেট (ভিওআইপি)-এর সাথে জড়িত থাকার ব্যাপারে তদন্ত পরিচালনার লক্ষ্যে ছয় সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিটি আড়াই মাস আগে গঠন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাইভেট ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে এবং ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জগুলো সাধারণত কল ডাটা রেকর্ড-এর জন্য অ্যানালাইজার (বিশ্লেষক) ব্যবহার করে থাকে। ফলে, কোন কোন নম্বর থেকে ফোন কল হচ্ছে এবং কলের স্থায়ীত্বকাল কতক্ষণ তার বিস্তারিত বিবরণ তাদের কাছে থাকে।

কিন্তু বিটিসিএল-এর কাছে এ ধরণের কোন অ্যানালাইজার না থাকায় আন্তর্জাতিক কলগুলোর স্থায়ীত্বকাল সম্পর্কে কোন ধারণাই তাদের নেই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অ্যানালাইজার না থাকার কারনেই রাজস্ব ফাঁকি দেয়া সহ অন্যান্য অনিয়মের ঘটনা ঘটছে সরকারী এই দুই প্রতিষ্ঠানে। তাদের মতে বিটিসিএল-এর সাথে ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জগুলোর সাথে কোন ধরণের বিলের ব্যবস্থা না থাকায় কলের স্থায়িত্ব এবং বিলের পরিমাপ করতে পারছে না। ফলে, বিদেশ থেকে আসা কলের জন্য আয়টি সরকার না পেলেও, তার জন্য খরচের বিলটি ঠিকই মেটাতে হচ্ছে সরকারী প্রতিষ্ঠানকে। উদাহরন সরূপ, একটি কল যদি বিদেশ থেকে এসে সেটা গ্রামীনফোন বা বাংলালিংক নেটওয়ার্কে যায়, তাহলে মোবাইল ফোন কোম্পানীটি বিটিসিএলকে একটি বিল পাঠায়। সরকার সেই কোটি কোটি কলের বিল পরিশোধ করে যাচ্ছে। কিন্তু সেই কলগুলোর কোনও আয় পাচ্ছে না। তাতে দু'দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সরকার।

প্রতিবেদনে এও জানানো হয়েছে যে, বিটিসিএল-এর এক্সচেঞ্জগুলো টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির অ্যানালাইজারগুলোর সাথে সঠিকভাবে সংযুক্ত নয়। Continue reading “বিটিসিএল ও টেলিটকে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়ম ধরা পড়েছে” »

Share

সুপার হিরো

হিরো একটি পশ্চিমা কনসেপ্ট। এদের কমিক বইয়ে হিরো আছে (ব্যাটম্যান, স্পাইডারম্যান, সুপারম্যান), বাস্তবেও আছে।
আমাদের তেমন কিছু নেই। মাঝেমধ্যে এক-আধজনকে পাওয়া যায়— ভাঙা রেললাইনের সামনে গামছা নিয়ে দাঁড়িয়ে ট্রেন থামায়। অনেকের জীবন রক্ষা করে। আমরা কিছুদিন তাকে নিয়ে হইচই করে ব্যাক টু দ্যা প্যাভিলিয়ন। উল্টো ব্যাপারও আছে, পুরো ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়া।
পশ্চিমা একজন হিরোর গল্প দিয়ে আজকের লেখা শুরু করছি। তার নাম টেরি ফক্স। কানাডার এক যুবক। মাত্র বাইশ বছর বয়সে ভয়াবহ ক্যানসার (osteosarcoma) তাকে আক্রমণ করল। তার একটি পা কেটে ফেলে দিতে হলো। টেরি ফক্স হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ভাবলেন, ক্যানসার গবেষণার জন্যে আরও অর্থ প্রয়োজন। তিনি ঘোষণা করলেন, এক পা নিয়েই তিনি কানাডার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়ে ক্যানসারের জন্যে অর্থ সংগ্রহ করবেন।
আটলান্টিক সমুদ্রে পা ডুবিয়ে তিনি দৌড় শুরু করলেন। তত দিনে একটা নকল পা লাগানো হয়েছে। এক শ তেতাল্লিশ দিন পর্যন্ত তিনি নকল পায়ে দৌড়ালেন। ৩,৩৩১ মাইল অতিক্রম করে তাকে থামতে হলো। কারণ ক্যানসার তখন ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র তেইশ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। তিনি ক্যানসার রিসার্চের জন্যে রেখে গেলেন সংগ্রহ করা এক শ মিলিয়ন ডলার। এখন সংগ্রহ পাঁচ শ মিলিয়ন ছেড়ে গেছে।
ক্যানসার রিসার্চের অর্থ সংগ্রহের জন্যে বিশ্বজুড়েই টেরি ফক্স ম্যারাথন হয়। পঁচিশতম ম্যারাথনে পৃথিবীর তিন মিলিয়ন মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল। আমার যতদূর মনে পড়ে, বাংলাদেশেও এই ম্যারাথন হয়েছে।
ক্যানসার হাসপাতাল ও গবেষণাকেন্দ্রের জন্যে আমরা অর্থ সংগ্রহে নামতে যাচ্ছি। আমাদের গুরু অবশ্যই টেরি ফক্স।
আমি টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে পা ডুবিয়ে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত যাব। আমার পক্ষে দৌড়ানো সম্ভব না। কারণ শিশুপুত্র আমার দুই পা চেপে ধরে থাকবে। এরা পা চেপে ধরায় ওস্তাদ। আমি পরিবার ছাড়া এক দিনও একা থাকতে পারি না। আমার সঙ্গে আমার দুই শিশুপুত্র এবং তাদের মা থাকবে। আমরা প্রতীকী অর্থে মাঝে মাঝে দৌড়াব। বাকিটা গাড়িতে। এই আনন্দযাত্রায় সবাইকে আমন্ত্রণ। Continue reading “সুপার হিরো” »

Share

একশোবছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী

নতুন বছর শুরু হওয়ার আগে কিছু জ্যোতিষী আগামী বছর কী হতে পারে তার ভবিষ্যদ্বাণী দেয়। গণমাধ্যমগুলো অতীত অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে সামনের বছর কী ঘটতে পারে তার একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আজ থেকে ১০০ বছর পর বিশ্বে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে তার ভবিষ্যদ্বাণী করা সত্যিই কঠিন। ১৯০০ সালের ডিসেম্বর মাস। আমেরিকার এক অখ্যাত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জন এলফ্রেথ ওয়াটকিনস দেশটির লেডিস হোম জার্নালে আগামী একশ’ বছরে কী হতে পারে শিরোনামে একটি লেখা লিখেন। যেখানে তিনি ১৪টি ভবিষ্যদ্বাণী করেন। যার মধ্যে ১০টি বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

২০০০ সালের বিশ্ব কেমন হবে তার ধারণা দিতে গিয়ে ওয়াটকিনস লেখেন, আমার ভবিষ্যদ্বাণীগুলো অনেকের কাছে অদ্ভুত ও অসম্ভব মনে হতে পারে। কিন্তু আমি দেশের প্রধান প্রধান বিজ্ঞানী ও গবেষণা সংস্থার গবেষকদের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ওয়াটকিনস ছিলেন লেডিস হোম জার্নালের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্যাটারডে ইভিনিং পোস্টের নিয়মিত লেখক। এ দুই ম্যাগাজিনের ইতিহাস সম্পাদক জেফ নিলসন সপ্তাহ দুয়েক আগে ওয়াটকিনসের ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে বর্তমান যুগের পাঠককে জানান এবং নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য তার প্রশংসা করেন। অবশ্য অনেকে খুব অবাক হয়েছেন এটা ভেবে যে, কিভাবে ওয়াটকিনস এত নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারল। এবার দেখা যাক, তার আশ্চর্যজনক ১০ ভবিষ্যদ্বাণী যা ২০০০ সালের মধ্যে সত্যে পরিণত হয়েছে। Continue reading “একশোবছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী” »

Share

Eating out in Dhaka- ঢাকার মধ্যের খাবার

নানা কিসিমের জার্নি দেখছি, এবার ঠিক করছি “”ফুড জার্নি দি ঢাকা”” স্টার্ট দেব। লেট’স জয়েন হু ওয়ান্টস!!!!
  
১ . বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ – পোলাও
 
২ . ঝিগাতলার সুনামী রেস্তোরা এর কাচ্চি বিরিয়ানী
 
৩ . খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ , খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর
 
৪ . মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
 
৫ . হোটেল আল – রাজ্জাকের কাচ্চি + গ্লাসি
 
৬ . লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী
 
৭ . নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ , চিংড়ি , ফালুদা
 
৮ . নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে
 
৯ . হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা
 
১০ . শ্যামলী রিং রোডের আল – মাহবুব রেস্তোরার গ্রীল চিকেন Continue reading “Eating out in Dhaka- ঢাকার মধ্যের খাবার” »
Share