২৫ এর পর যা সত্যি

বয়স কি পঁচিশ পেরিয়েছে? যদি আপনার বয়স পচিশ পার হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে ইতিমধ্যেই আপনি জেনে গিয়েছেন অনেকগুলো সত্য। যেই বিষয়গুলো আগে অর্থহীন মনে হতো অথবা তেমন একটা গুরুত্ব দিতেন না সেগুলোই হয়তো এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আপনার কাছে। আবার যেগুলোকে জীবনের সবচাইতে জরুরি মনে হত এমন অনেক কিছুই হয়তো আর কোনো মূল্যই রাখে না এখন জীবনে। বয়স পঁচিশ পার হলে জীবনের কিছু সত্য উপলব্ধি করতে পারবেন আপনি। জানতে চান কী সেগুলো? মিলিয়ে দেখুন তো এই ২১টি সত্য আপনার ক্ষেত্রেও মিলে যায় কিনা! Continue reading “২৫ এর পর যা সত্যি” »

Share

BD now member of Asia PKI Consortium

Bangladesh has been accepted as a member of the Asia PKI Consortium in its General Assembly (GA) Meeting held in Bangkok recently. The GA Meeting was chaired by Philip Leung, Chairman of Asia PKI Consortium and attended by member countries. The GA unanimously approved the membership of Bangladesh in the Asia PKI Consortium and expressed its interest to engage with Bangladesh in this complex field of technology, says a press release.

An international conference styled "The Common Denominators Collaboration of Cross-Region on E-Government Application, Cloud Computing and Security" was organised on the occasion in which large number international experts, companies took part Bangkok, Thailand recently. Ms Karen Chang, Office of Science and Technology, Executive YuanTaiwan and BAWG Chair along with Mr Shin Adachi, Dr Tschai Huei Jane and Mr Th Schee among others made presentations.

The Ministry of ICT of Thailand and Asia PKI Consortium (APKIC) were the hosts. The organiser of the event was Electronic Transaction Development Agency (ETDA) of Thailand, Business Case/Application Working Group (BAWG) of APKIC and Thailand PKI Association. Ms Suranghana Wayuparb, Chairperson of Thailand PKI Association & Vice Chair of APKIC Executive Director and CEO, ETDA along with Charamporn Jotikasthira, President of the Stock Exchange of Thailand and APKIC Chairman Philip Leung inaugurated the event. Continue reading “BD now member of Asia PKI Consortium” »

Share

আব্বা- আনিসুল হক

 

আব্বা মারা গেলেন যখন, তখন আমি বুয়েটে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। সেকেন্ড সেমিস্টার পরীা চলছিল। স্কুল-কলেজের অভ্যাসবশত আমি খুবই মন দিয়ে পড়ছিলাম, যদিও ফার্স্ট সেমিস্টারে রেজাল্ট ভালো হয়নি তেমন। সামনে ফিজিক্স পরীা। মধ্যখানে কয়েকদিনের বিরতি। সন্ধ্যার সময় শহীদ স্মৃতি হলের টিভি রুমে বসে আছি বন্ধুদের সঙ্গে, রেসলিং দেখাচ্ছিল, আমি রেসলিংয়ের ভক্ত ছিলাম না, কিন্তু বন্ধুরা দেখছে বলে আমিও টিভি রুমের ভিড়ে যোগ দিয়েছি। এই সময় মামা এলেন হলে। ডেকে বললেন, রংপুর যাচ্ছি অফিসের কাজে, তুই যাবি?
আমি বললাম, পাগল, আমার তো পরীা।
মামা বললেন, তোর বাপের খুব অসুখ বাহে, গেলে চল।
আমি বললাম, যাব।
আমার মেজভাই, আশরাফুল হক তখন বুয়েটে ফোর্থ ইয়ারে, তার পরীা একদিন পরে, তিনি যেতে পারবেন না, আমি রাতের বেলা বিআরটিসি বাসের শেষ আসনে বসে যাচ্ছি রংপুর। সঙ্গে মামা এবং মামি।
রাতের বেলা, যখন বাসের মধ্যে ড্রাইভার ছাড়া আর কেউ জেগে নেই, আমার মনে প্রশ্ন জাগল, পরীার মধ্যে আমি রংপুর যাচ্ছি কেন? তার একটাই মানে, আব্বা বেঁচে নাই। আমি হু হু করে কাঁদতে লাগলাম।
এত কান্না। এত কান্না। Continue reading “আব্বা- আনিসুল হক” »
Share

Stories of Date of Birth- an exceptional alternate Horoscope

STORY BEHIND YOUR DATE OF BIRTH

If U were born on the 1st, 10th, 19th, 28th of any month U r number 1….

If U were born on the 2nd, 11th, 20th, 29th of any month then U r number 2…

If U were born on the 3rd, 12th, 21st, 30th of any month then U r number 3…

If U were born on the 4th, 13th, 22nd, 31st of any month then U r number 4…

If U were born on the 5th, 14th, 23rd of any month then U r number 5…

If U were born on the 6th,15th,24th of any month then U r number 6…

If U were born on the 7th,16th,25th of any month then U r number 7…

If U were born on the 8th,17th,26th of any month then U r number 8…

If U were born on the 9th,18th,27th of any month then U r number 9… Continue reading “Stories of Date of Birth- an exceptional alternate Horoscope” »

Share

Miracle of Humankind- of the grace of Allah! Survivors after 17 days of building collapse

DHAKA, Bangladesh (AP) — A seamstress buried in the wreckage of a collapsed garment factory building for 17 days was rescued Friday, a miraculous moment set against a scene of unimaginable horror, where the death toll shot past 1,000.

Reshma survived, in remarkably good shape, by eating dried food that was in her area and drinking spare amounts of water with her. She was discovered on the second floor of the eight-story Rana Plaza building, where crews have been focused on recovering bodies, not rescuing survivors, for much of the past two weeks.

"I heard voices of the rescue workers for the past several days. I kept hitting the wreckage with sticks and rods just to attract their attention," she told the private Somoy TV from her hospital bed as doctors and nurses milled about, giving her saline and checking her condition.

"No one heard me. It was so bad for me. I never dreamed I'd see the daylight again," she said.

"There was some dried food around me. I ate the dried food for 15 days. The last two days I had nothing but water. I used to drink only a limited quantity of water to save it. I had some bottles of water around me," she said.

Once Reshma finally got their attention, the crews ordered the cranes and bulldozers to immediately stop work and used handsaws and welding and drilling equipment to cut through the iron rod and debris still trapping her. They gave her water, oxygen and saline as they worked to free her.

When Reshma was freed after 40 minutes, the crowd erupted in wild cheers. She was rushed to a military hospital in an ambulance, but her rescuers said she was in shockingly good condition, despite her ordeal.

Abdur Razzak, a warrant officer with the military's engineering department who first spotted her in the wreckage, said she could even walk.

"She was fine, no injuries. She was just trapped. The space was wide," said Lt. Col. Moyeen, an army official at the scene.

Reshma told her rescuers there were no more survivors in her area. Workers began tearing through the nearby rubble anyway, hoping to find another person alive. Continue reading “Miracle of Humankind- of the grace of Allah! Survivors after 17 days of building collapse” »

Share

আমাদের ডাঃ আতিউর রহমান

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একট

া ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে। Continue reading “আমাদের ডাঃ আতিউর রহমান” »

Share

Linux Operating System

I've decided that I'd go through a thorough and various linux flavor in some idle pass time (when???). Anyway before forgetting just putting the list in my blog post-

  • AlphaCore Linux
  • Amazon Linux
  • APLINUX
  • Asianux
  • Asianux Server
  • BigBlock
  • BSDI
  • Caixa Magica
  • Caldera OpenLinux
  • Caldera OpenLinux eServer
  • cAos Linux
  • Cendio LBS Linux
  • CentOS Linux
  • Cobalt Linux
  • Coherent Technology Linux Continue reading “Linux Operating System” »
Share